বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও সার্কুলার ২০২২-২৩ PDF

সম্মান প্রথমবর্ষে ভর্তির জন্য জিএসটি কর্তিক ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে একটি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় যে সকল শিক্ষার্থী ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির পরীক্ষার জন্য আবেদন করবে, তারা গুচ্ছাকারে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারেন।

এই একটি আবেদনের মাধ্যমে আপনারা আপনাদের মেধাক্রম অনুসারে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটিতে সুযোগ পেয়ে যাবেন। তাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় কোন ধরনের ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই শিক্ষার্থীরা তাদের মেধাক্রম অনুসারে বাংলাদেশের যেকোনো একটি কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ থাকছে।

এই বছর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনারা গুচ্ছ আকারে পরীক্ষার ভর্তি প্রক্রিয়া, আসন বিন্যাস, চূড়ান্ত আবেদন, পরীক্ষার মানবন্টন, পরীক্ষার সময়, পরীক্ষার নম্বর বন্টন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পাবেন। তাই আমাদের পোস্টটি আপনাদের নিয়ম মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। তাহলেই গুচ্ছ আকারে ভর্তির জন্য যাবতীয় তথ্য পেয়ে যাবেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২-২৩

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০০১ সালে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রধান উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রফেসর ডঃ এ কিউ এম মাহবুব।

এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির নীতি বাক্য হলোঃ– “জানুন, চিন্তা করুন, পরিবর্তন সাধন করুন”। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গোপালগঞ্জ অবস্থিত। অনেকেই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বশেমুরবিপ্রবি নামে চিনে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ আকারে যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রয়েছে তার অন্তর্ভুক্ত।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য দুই প্রকারে আবেদন করতে হবে। একটি হলো প্রাথমিক আবেদন এবং অন্যটি হলো চূড়ান্ত আবেদন।

প্রাথমিক আবেদন শুরু হবে এপ্রিল মাসের ১ তারিখে এবং শেষ হবে এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখে। প্রাথমিক আবেদনের শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে এপ্রিল মাসের ২৩ তারিখে।

এখানে ক্লিক করে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

যারা প্রাথমিক আবেদন করতে পারবেন তাদের যোগ্যতা এবং পরীক্ষার পাশের বছরঃ-
প্রাথমিক আবেদন এই নির্ধারিত তিনটি ইউনিট এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ইউনিট,বি ইউনিট এবং সি ইউনিটে ইউনিট। এ ইউনিটে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা, বি ইউনিটে বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা এবং সি ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবে।

যারা ২০১৬-১৮ সালে এসএসসি পরীক্ষা ও ২০১৯, ২০২০ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে তারাই প্রাথমিক আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রাথমিক আবেদনের ক্ষেত্রে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি এবং এইচএসসি মিলিয়ে ন্যূনতম জিপিএ ৭.০০ পেতে হবে।

বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি এবং এইচএসসি তে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ পেতে হবে। অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী ৭.৫০ পেলে বি ইউনিটে আবেদন করতে পারবে।

সি ইউনিটের এসএসসি এবং এইচএসসি তে চতুর্থ বিষয় সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে। আর এসএসসি এবং এইচএসসি মিলিয়ে মোট জিপিএ ৮.০০ থাকলে একজন শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবে। বাংলাদেশের যে কোনো স্বীকৃত স্কুল, কলেজ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রে ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, অন্যান্য, ভোকেশনাল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারবে।

প্রাথমিক আবেদনের পর এইচএসসির ৬০ শতাংশ এবং এইচএসসির ৪০ ভাগ নাম্বার নিয়ে নির্ণায়ক এর মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক আবেদনের নির্বাচন করা হবে। যে সকল শিক্ষার্থী প্রাথমিক আবেদনের নির্বাচিত হবে তারাই চূড়ান্ত আবেদন করতে পারবে।

তিনটি ইউনিট এর প্রত্যেকটি সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৫০০০০ হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবে। আর প্রতিটি ইউনিটের আবেদন ফি হবে ৫০০ টাকা। যা মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, রকেট, নগদ) এর মাধ্যমে প্রদান করতে পারবে।

চূড়ান্ত আবেদনের সময় এপ্রিল এর ২৪ তারিখ শুরু হবে এবং চুড়ান্ত আবেদনের সময় শেষ হবে মে মাসের ২০ তারিখে। চূড়ান্ত আবেদনের সময় শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার আসন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হবে।

সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুল এবং কলেজের দূরত্ব, তাদের পাশের বছর, এসএসসি এবং এইচএসসি ফলাফল ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে পাঁচটি আসন চয়েজ দিতে হবে। পরবর্তীতে এ বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে শিক্ষার্থীকে একটি নির্দিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্র প্রদান করা হবে। সেই অনুসারে একজন শিক্ষার্থীকে নির্দিষ্ট দিনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

ইউনিট ভিত্তিক যে যে দিনগুলোতে পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে ঃ-
প্রত্যেকটি ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে দুপুর ১২ টা থেকে এবং পরীক্ষা শেষ হবে দুপুর ১ঃ৩০ এ। এ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুন মাসের ১৯ তারিখে।
বি ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুন মাসের ২৬ তারিখে।
সি ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুলাই মাসের ৩ তারিখে।

প্রত্যেক ইউনিট এর ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টনঃ-
এ ইউনিটের পরীক্ষার জন্য বাংলা, ইংরেজি এবং আইসিটির ওপরে ১০০ মার্কের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বি ইউনিটের শিক্ষার্থীদের জন্য হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি বিষয়ের উপর ১০০ মার্্কের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সি ইউনিটে বা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য আবশ্যিক বিষয় পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, বাংলা, ইংরেজি এবং এবং অন্যান্য বিষয় গণিত, আইসিটি, জীববিদ্যা মিলিয়ে মোট ১০০ মার্কের পরীক্ষা হবে।

প্রতিটি ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে জিএসটি মেধাক্রম প্রস্তুত করবে। মেধাক্রম প্রস্তুত এরপর জিএসটি এডমিশন টেস্টের ওয়েবসাইটের সেই ফলাফল প্রকাশ করবে।

এখানে ক্লিক করে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

একজন শিক্ষার্থী তার মেধাক্রম অনুসারে তার উল্লেখিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ভর্তি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিজেদের শর্ত উল্লেখ করাসহ দরখাস্ত প্রদান করবে। এক্ষেত্রে শুধু জিএসটি ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরাই সে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদন করতে পারবে। পরে ইউনিট ভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজ ব্যবস্থাপনায় নির্দিষ্ট বিভাগে তাদের নিয়ম অনুসারে ভর্তি প্রক্রিয়া গুলো সম্পন্ন করবে।

Leave a Comment