GST Admission Result 2021

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২০-২১

প্রতিবছরের ন্যায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই শিক্ষাবর্ষে একটু ব্যতিক্রম পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবছর প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় স্বতন্ত্রভাবে পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের প্রতিটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

যে সকল শিক্ষার্থী খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করতে চাই তাদের জন্য জিএসটি(GST) কর্তিক একটি নোটিশ প্রকাশিত হয়েছে। নোটিশটি পেতে এবং নোটিশটি বিস্তারিত আলোচনা পেতে আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটের নিচে দেখুন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২০-২১

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় খুলনার একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১০০০। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনেকেই “খুবি” নামে চেনে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২৯টি বিভাগ রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বর্তমানে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান।

প্রতিবছরের ন্যায় শিক্ষার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে। তবে এ বছর আবেদন করতে হবে দুই পদ্ধতিতে। একটি হলো প্রাথমিক আবেদন, আরেকটি হলো চূড়ান্ত আবেদন। প্রাথমিক আবেদনের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পরেই একজন শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত আবেদনের জন্য বিবেচিত হবে।

নিচে গুচ্ছ পরীক্ষার অর্থাৎ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির প্রক্রিয়ার নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ দেয়া হলোঃ-
*প্রাথমিক আবেদন শুরু হবে এপ্রিলের ১ তারিখ হতে এপ্রিলের ১৫তারিখ পর্যন্ত।
*প্রাথমিক আবেদনের ফলাফল প্রকাশ হবে এপ্রিলের ২৩ তারিখে।
*প্রাথমিক আবেদনের পরে চূড়ান্ত আবেদন করতে হবে এপ্রিলের ২৪ তারিখ হতে মে মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত।
*চূড়ান্ত আবেদনের পর একজন শিক্ষার্থীকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে জুন মাসের ১ তারিখ হতে জুন মাসের ১০ তারিখ এর মধ্যে।

এখানে ক্লিক করে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

প্রবেশপত্র ডাউনলোড এরপর ইউনিটভিত্তিক পরীক্ষাগুলো বিভিন্ন দিনে অনুষ্ঠিত হবে। নিচে ইউনিট ভিত্তিক যে সকল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে তাদের তারিখ উল্লেখ করা হলোঃ-
*এ ইউনিটে অর্থাৎ মানবিক বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুনের ১৯ তারিখে।
বি ইউনিটে অর্থাৎ বাণিজ্য বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুনের ২৬ তারিখে।
সি ইউনিটে অর্থাৎ বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুলাই ৩ তারিখে।

প্রাথমিক আবেদনের জন্য যে সকল শিক্ষার্থীর আবেদন করবে তাদের দিকনির্দেশনাঃ-
যেহেতু তিনটি ইউনিট ভিত্তিক এবছর পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে সেহেতু ইউনিট ভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের ফর্মালিটি রয়েছে। এ ইউনিটে অর্থাৎ মানবিক শাখাতে যারা আবেদন করবে তাদের এসএসসি এবং এইচএসসি শহর সর্ব মোট জিপিএ ৭.০০ থাকতে হবে।
বি ইউনিটের বাণিজ্য বিভাগে যে সকল শিক্ষার্থী আবেদন করবে তাদের ন্যূনতম ৩.৫০ সহ সর্বমোট ৭.৫০ জিপিএ থাকতে হবে।
সি ইউনিটে অর্থাৎ বিজ্ঞান বিভাগে ন্যূনতম ৩.৫০ সহ এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় সর্ব মোট জিপিএ ৮.০০ থাকতে হবে।

ও লেভেল এবং এ লেভেল এবং ইংলিশ ভার্শন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের প্রশ্নপত্র প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ইংরেজিতে অনুবাদ করা হবে। আর যদি কোন শিক্ষার্থী ইংরেজি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক হয় তাহলে প্রার্থীকে চূড়ান্ত আবেদনের সময় তা অবশ্যই উল্লেখ করে দিতে হবে।

যে সকল শিক্ষার্থী এসএসসি ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল এবং উর্ত্তীন্ন হয়েছিল তারা প্রাথমিক আবেদন করতে পারবে। আর যে সকল শিক্ষার্থী ২০১৯ এবং ২০১৯ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল এবং তারাই প্রাথমিক আবেদন করতে পারবে।

এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে একজন শিক্ষার্থী প্রাথমিক পর্যায় থেকে চূড়ান্ত আবেদনের জন্য নির্বাচিত হবে। এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল এক্ষেত্রে খুবই জরুরী।

যে সকল শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে তাদের আবেদনের সময় অনলাইনে সঠিক তথ্য প্রদানের পাশাপাশি ৫০০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ,রকেট, নগদের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। তারপরের নির্ধারিত তারিখে তাদেরকে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে।

ইউনিট ভিত্তিক পরীক্ষার মানবন্টন
এ ইউনিটে বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি বিষয়ের উপর ১০০ মার্কের পরীক্ষা হবে।

বি ইউনিটে হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি এর ওপরে ১০০ মার্কের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এখানে ক্লিক করে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

সি ইউনিটে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, বাংলা, ইংরেজি বিষয়ের উপর পরীক্ষা হবে। তাছাড়া যে সকল শিক্ষার্থীর বিষয়গুলো নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী নিতে চাই সে ক্ষেত্রে অধিক বিষয় যেমন গণিত, জীববিদ্যা, আইসিটির উপরে প্রশ্নের উত্তর করতে পারে।

পরীক্ষার আসন বিন্যাস
যেহেতু গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে সেহেতু একজন শিক্ষার্থীকে অনলাইনে চূড়ান্ত আবেদনের সময় ৩১ টি পরীক্ষা কেন্দ্রের একটি তালিকা দেয়া হবে। সেখান থেকে একজন শিক্ষার্থীর ন্যূনতম পাঁচটি পরীক্ষার কেন্দ্র পছন্দের তালিকায় রাখতে পারবে। একজন শিক্ষার্থীকে একটি নির্দিষ্ট পরীক্ষার তালিকা দেয়া হবে। তবে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার কেন্দ্র নির্ধারণ করবে না।

এবছর কয়েকটি বিষয়ের উপর সেগুলো ঠিক করা হবে। সেগুলো হলো একজন শিক্ষার্থীর স্কুল-কলেজ হতে কেন্দ্রের অবস্থান এর দূরত্ব, এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর, সেই শিক্ষার্থীটি কত সালে এসএসসি এবং এইচএসসি পাস করেছে, শিক্ষার্থীদের ছেলে না মেয়ে সে বিষয়গুলোর ওপর নির্ধারণ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পরীক্ষার কেন্দ্র বিন্যাস গুলো প্রকাশ করা হবে। আর নির্ধারিত পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে পরীক্ষার কেন্দ্র কোনভাবেই পরিবর্তন করা যাবে না।

প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর পরীক্ষা ১ ঘন্টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে পরীক্ষার মান বন্টন হবে ১০০ নম্বরের।

প্রতিটি ইউনিটের পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম প্রস্তুত করে একটি তালিকা নির্ধারণ করা হবে। শিক্ষার্থীরা সেই তালিকা অনুযায়ী যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবে। সে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ভর্তির সুযোগ পাবে।

Exit mobile version